সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সামাজিকতার বালাই নেই নগরীর কিশোর গ্যাং সম্রাট আবু কাইসার বাহিনীর

মোহাম্মদ জুবাইর চট্টগ্রাম।

আবু কাইসারের সহযোগী দের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেপরোয়া, আক্রমনাত্নক বিভিন্ন কথাগুলো তুলে ধরা হলঃ ১.মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন বলছেন,নাকে নিঃশ্বাস থাকলে যদি না দেয় তাহলে নিঃশ্বাস বন্ধ করে প্যাকেট করে দিবো।

২.আবু কাইসার সমর্থক গোষ্ঠী থেকে বলা হয়, সময় এসেছে কমিশনার গলির একজনকে শায়েস্তা করার।
৩.অপরজন নানাভাবে গালাগালি করে হুমকি দিচ্ছেন কলেজে আসা নিয়ে।বহিরাগত হটাবে এলাকাটি নিজেদের রাজত্ব কায়েম করে দাপিয়ে বেড়ানোর নেশায় হন্য হয়ে আছেন বিভিন্ন অপকর্মের সাথে লিপ্ত এই মহলটি।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো ইসলামিয়া কলেজের সাবেক ভি.পি খলিলুর রহমান নাহিদের রাজনৈতিক সংগঠনকে হুমকি দেওয়া যেনো নিত্যদিনের কাজ হয়ে উঠেছে তাদের।

সোমবার সন্ধ্যা ৭ টার সময় দারোগা হাট রোড থেকে মহব্বত গলি দিয়ে আবু কাইসার তার বহিরাগত কিছু সৈন্য বাহিনী ও তার ভাইয়ের ছেলে আসিফ,চাচাতো ভাইয়ের ছেলে রুবেল, জনি,ভাগিনা জুয়েল সহ তার আত্নীয়-স্বজন দের মধ্যে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত থাকাদের নিয়ে ইসলামিয়া কলেজের সাবেক ভিপি খলিলুর রহমান নাহিদের বাসার গেটে আক্রমন করে যা সুস্পষ্ট সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক এলাকাবাসী বলেন,ভাড়াটিয়া হটাও,বহিরাগত হটাও স্লোগান দিয়ে আক্রমনাত্নক ভাবে তারা নাহিদের বাড়ির দিকে যায়,যা সাধারন জনমনে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করে।সদরঘাট মাঝিরঘাট হয়ে উঠছে ইয়াবা চালানের নতুন রুট,বরিশাল কলোনি উচ্ছেদের পর এই ঘাট এলাকা গুলোই হয়ে উঠেছে মাদক সম্রাজ্যের নিরাপদ ঘাটি আবু কাইসারের নেতৃত্বে।

তার ভাইয়ের ছেলে আসিফ,চাচাতো ভাইয়ের ছেলে রুবেল, জনি,ভাগিনা জুয়েল সহ তার বিভিন্ন সহযোগীর মাধ্যমে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছেন বলে অভিযোগ রয়েছে আবু কাইসারের বিরুদ্ধে।

ইসলামীয়া কলেজের সাবেক ভিপি খলিলুর রহমান নাহিদের সাহায্য সহযোগীতায় তার জাতে উঠা। অথচ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ার পর নাহিদের সাথে ঘটিয়েছে ১টি ৫ লাখ ও আরেকটি ১০ লাখ টাকার চেক প্রতারণার ঘটনা। এ ব্যাপারে খলিলুর রহমান নাহিদ তার বিরুদ্ধে লিগ্যাল ডিমান্ড নোটিশ জারি করেছেন। পাশাপাশি তিনি পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন বলে জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন বেপরোয়া বাহিনী টি আসলে কতটা অপকর্মের সাথে লিপ্ত তা নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ, কিছুদিন পূর্বে রয়েছে চাঁদাবাজির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে জি.ডি নং-৬১৮,তাদের অপকর্মের, উস্কানিমূলক মন্তব্য খতিয়ে দেখার সময় এসেছে প্রশাসনের। উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড সমূহ সমাজের মানুষের মনে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করছে।

এই খবর গুলিও পড়তে পারেন