শ্রীপুরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় মারধর আহত ২

গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নে মাদক সেবনকারী ও ক্রয়-বিক্রয়কারীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে এমদাদুল হক তার স্ত্রী সীমা এবং তার নাবালক ১০ মাসের শিশু সন্তান সহ দুই জন কে আহত করেন । এঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন এমদাদুল হক।

অভিযুক্তরা হলেন শ্রীপুর বরমী এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী শাহীন (৩০), সুমন (২৮), সুজন(২৫),সর্ব পিতা- দুলাল মিয়া। দুলাল মিয়ার মেয়ে শামীমা আক্তার (২৩), একই গ্রামের শাহীনের স্ত্রী সালমা (২৬), সুমনের স্ত্রী ময়না (২৭) সকলেই বরমী এলাকার। এলাকাবাসী অভিযোগ, তারা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচিত। সরকার যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দিয়েছেন। সেখানে বরমী এলাকায় প্রকাশ্যে চলছে মাদক বিক্রিয় করছেন মাদক ব্যবসায়ীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এমদাদুল হকের বসত বাড়ির উপর দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা আসা যাওয়া করলে এমদাদুল হক ও তার স্ত্রী সীমা প্রতিবাদ করতে গেলে ১৯/০২/২০২১ইং তারিখ শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩ টার সময় মাদক ব্যবসায়ী শাহীন ও সুমন গং সকলেই ধারালো অস্ত্র রাম দা,লাঠি,লোহার রড,ইটা ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হইয়া বাদী এমদাদুল হকের বসত বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া এমদাদুল হক ও তার স্ত্রী সীমাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে।

তাদের নাবালক ১০ মাসের শিশু সন্তানকেও মেরে ফেলার চেষ্টা করে। মাদক ব্যবসায়ীরা এমদাদুল হকরে স্ত্রীকে নাকে স্বজোরে কামড় দিয়ে এবং লোহার রড দিয়ে মারাত্মক ভাবে রক্তাক্ত আহত করে এবং গায়ের কাপড় ও চুলের মুঠিতে ধরিয়া অর্ধবিবস্ত্র করিয়া শ্লীলতাহানি ও হত্যার চেষ্টা করেন। ৬ নং বিবাদী ময়না এমদাদুল হকের স্ত্রীর গলায় থাকা আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায় যাহার মূল্য অনুমান ৩৫ হাজার টাকা ।

অসহায় ভুক্তভোগীদের ডাক চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে বিবাদীরা এমদাদুল হক ও তার পরিবারের লোকজনদের সুযোগমত পাইলে মারপিটসহ খন জখম সহ মিথ্যা মামলায় দিয়া হয়রানি করিবে বলিয়া হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। আশেপাশের লোকজন এমদাদুল হক ও তার স্ত্রী সীমাকে রক্তাক্ত আশংকা জনক অবস্থা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত ডাক্তার এমদাদুল হকের স্ত্রীর অবস্থা আশংকা জনক বেশি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফাড করেন।

ভুক্তভোগী এমদাদুল হক স্থানীয় গন্যমান্য লোকজনদের অবগত করিয়া ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি শ্রীপুর মডেল থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন।

এই খবর গুলিও পড়তে পারেন